এলাচি আমাদের শরিরের কি উপকার করে

প্রতিদিন সকালে ১টি এলাচে যত উপকার

খাবার খেতে বসলে মুখে এলাচ চলে গেলে মুখের স্বাদটাই মাটি হয়ে যায় অনেকের। তবে এই এলাচের গুণাগুণ অনেক। আসুন জেনে নেই প্রতিদিন সকালে মাত্র একটি এলাচ কী কী উপকারে আসতে পারে।

১) এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিন।

২) দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।

৩) রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

৪) এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।

৫) মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

৬) নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৭) গবেষণায় দেখা যায় নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

৮) এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।

চিকেন পক্স থেকে বাঁচতে যে খাবারগুলো দরকারি

 

বসন্তে একটি ভয়াবহ রোগ চিকেন পক্স। এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। এই রোগটি থেকে বাঁচতে আমরা নিম্নোক্ত খাবারগুলো গ্রহণ করতে পারি।

আসুন জেনে নেই এমনি কিছু খাবার-

নিমপাতা

বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ে নিমপাতার জুড়ি নেই। গোসলের সময় হালকা গরম পানি নিমপাতা দিয়ে গোসল করে অসুক ভালো হয়ে যায়। ভ্যারিসেল্লা ভাইরাসেরর আক্রমণে সাধারণ বসন্ত রোগ হয়। নিমপাতা জীবাণুনাশক এ ভ্যারিসেল্লা ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

সজনে ফুল

সজনে দেখতে সবুজ রঙের লম্বা আকৃতির থাকে। আর ফুলগুলো হয় হলুদ রঙের । সজনের কচিপাতা, ফুল, ও সজনে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। সজনের তরকারি খেতে খুবই সুস্বাদু। খাবার সঙ্গে ভর্তা করে খেতে পারেন সজনে ফুল। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সজনে ফুল অত্যন্ত উপকারী। তাই প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন।

বাঁধাকপি

শীত শেষ হলেও বাজারে পাওয়া যায় বাঁধাকপি। থাইরয়েডের সমস্যা না থাকলে খেতে পারেন বাঁধাকপি। বাঁধাকপি রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল যা বায়ুবাহিত প্রতিরোধ করে।

গাজর 

বাজারে সারা বছরই গাজর পাওয়া যায়। গাজর বিটা ক্যারোটিন অক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে ও সংক্রমণের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

টকদই কি কাজ করে?

টকদই শরীরের টক্সিন দূর যা শরীর পরিষ্কার করে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে। দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান শরীরে সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

শুধু মাত্র লেবু দিয়েই দূর হবে কিডনি পাথর

কিডনি পাথর-একটি ফলের রসেই গলবে কিডনির পাথর। অপারেশন ছাড়াই গলবে কিডনির পাথর। শুধু একটি ফলের রসেই কিডনির পাথর দূর হবে! হ্যাঁ, ভুল দেখেননি। বিনা অপারেশনেই আধাকাপ লেবুর রসে কিডনির পাথর দূর হবে। যে ফলটি এখন পাওয়া যায় মাত্র ২ টাকায়।

প্রতি বছর পৃথিবীতে ক্যানসারের চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় কিডনির সমস্যায়। কিডনি সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ কিডনি স্টোন। খবর জি নিউজের। অতিরিক্ত মাংস খেলেই বিপদ।

কম পানি খেয়েছেন কী মরেছেন। কম সবজি খেলেও সমস্যা। বেশি নুন খাওয়া ক্ষতিকর। বংশগত কারণেও কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা থাকে।

মাঝে মাঝে ডিহাইড্রেশন হলেও কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। ইউরিন ইনফেকশন হলেও কিডনিতে পাথর জমতে পারে। মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহৃত টপিরামেট জাতীয় ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

ওজন বাড়লেও মারাত্মক বিপদ। কিডনির ভেতরের এই পাথরগুলো মূত্রনালির মাধ্যমে মূত্রথলিতে যাওয়ার চেষ্টা করে। পাথর যখন সংকীর্ণ নালির মধ্যে দিয়ে যায়, তখন প্রচণ্ড ব্যথা হয়। কখনও কখনও নালিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় অপারেশন ছাড়া পথ থাকে না।

কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব হাউস্টনের গবেষকরা বলছেন, লেবুর রসে হতে পারে মুশকিল আসান। লেবুর রসে হাইড্রক্সিসিট্রেট থাকে। এটা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই প্রধানত কিডনিতে পাথর হয়।

গবেষকরা বলছেন, দিনে দুবার ৪ আউন্স পাতিলেবুর রস খেতে হবে। ৩২ আউন্স টাটকা লেমোনেডও খাওয়া যেতে পারে। ২ আউন্স লেবুর রসের সঙ্গে ৬ আউন্স পানি মিশিয়ে নিতে হবে। সকালে ব্রেকফাস্টের আগে এবং রাতে শোয়ার আগে লেবুর রস খেয়ে নিতে হবে।

শুধু কিডনির স্টোনই নয়, লেবুর রসে আরও অনেক উপকারিতা আছে।

  • শক্তি বাড়ায় লেবুর রস।
  • লিভার পরিষ্কার রাখে।
  • ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে লেবুর রস।
  • ত্বক পরিষ্কার রাখে।
  • ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • মূত্রনালির সংক্রমণ দূর করে।
  • চোখ ভালো রাখে।
  • দাঁতব্যথা কমায়।
  • গর্ভবতী নারী ও গর্ভের শিশুর জন্য ভীষণ উপকারি।
  • স্তন ক্যানসার সারাতে লেবুর রসের জুড়ি মেলা দিচা

Add Comment