পরীক্ষা সামনে কিন্তু এখনো পড়া শেষ হয়নি?

0
14

পরীক্ষা সামনে কিন্তু এখনো পড়া শেষ হয়নি- পরিক্ষাথীদের যতই সময় দেয়া হোক না কেনো তারা পড়তে বসবে শেষ সময়ে। একটু পর পড়বো,এখনো তো অনেক সময় বাকি,কাল পড়বো…….

এই কাল পড়বো এমন করতে করতে পরিক্ষা সামনে এসে পরে।অথচ বই বা সিলেবাস এর কোনো পড়া হয়নি এখনো।কিন্তু সময় এর পড়া যদি ঠিক সময় মতো পড়া হতো তাহলে বই বা সিলেবাস এর সব পড়া শেষ হয়ে যেতো। যা হবার তা তো হয়ে গেছে।এখন যতটুকু সময় বাকি আছে সে সময়টা কে কাজে লাগালে।অনেকটা বিপদ কেটে যাবে।

আমার ছাএজিবনে এই কাল পরবো করতে করতে একদম শেষ মূহুরতে এসে আমিও অনেক কান্না করেছি।কিন্তু কান্না কাটি করে যে খুব ভালো কিছু হয়েছে তা কিন্তু নয়।আরো সময় নষ্ট হয়েছে আমার।পরিক্ষার যখন দ্বারপ্রান্তে এসে দাড়ায় সে সময় মাথা ঠান্ডা করে সিদ্ধান্ত নেয়া ভালো।

পরিক্ষার প্রস্তুতির নেয়ার ৮টি উপায়

১.পড়ার মাঝে বিরতি নেয়া

পড়ার মাঝে বিরতি নেয়ার ফলে।মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়,এবং পড়ারও খুব সহজে আয়ত্ত করা যায়।

২.রুটিন বানিয়ে পড়া

রুটিন বানিয়ে পড়া।রুটিন করে পড়লে সকল বিষয়ে সমান ভাবে গুরুত্ব দেয়া যায়।তেমনি পড়া টাও অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়।

৩.অতিরিক্ত রাত জাগা বন্ধ করা

অতিরিক্ত রাত জাগা মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে।তেমনি চোখের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলে।তাই পরিক্ষার সময় অতিরিক্ত রাত জাগা পরিহার করুণ।

৪.কঠিন পড়া গুলো ঘুমানোর আগে পড়া

অপেক্ষাকৃত কঠিন এবং বর্ণনামূলক পড়া ঘুমানোর আগে পড়া উচিৎ।এতে করে পড়াটি মস্তিষ্কের দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ঘুম থেকে উঠার পর পরই পড়াটি মনে করা সহজ হয়ে যায়।

৫.পরিক্ষার আগের রাতের জন্য পড়া জমিয়ে না রাখা

পরিক্ষার পড়া পরিক্ষার আগের রাতের জন্য পড়া জমিয়ে না রেখে প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়া।তাহলে মস্তিষ্কে চাপ কম পরবে এবং মস্তিষ্ক ঠান্ডা থাকবে।

৬.পুষ্টিকর এবং মানসম্মত খাবার খাওয়া

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে পরিক্ষার সময় চর্বিহীন এবংআঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত।কারণ এসব খাবার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে অনেক সহায়তা করে।

৭.নিজেকে যাচাই করা

পরিক্ষার পূবে নিজেই নিজের ছোটখাটো টেস্ট নিন।আপনি নিজের তাতে মার্কিং করুন।এতে করে পড়া ভালো মতো হয়েছে কিনা।তা যেমন বুঝা যায়।তেমনি নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস ও বেড়ে যায়।

৮.নিজের উপর আস্থা রাখা

নিজের সম্ভাভনা নিয়ে যে কোনো ধরণের নেতিবাচক চিন্তাকে মাথা থেকে পুরোপুরি ঝেড়ে ফেলুন।নিজের উপর আস্থা রেখে সামনে এগিয়ে যান।বার বার অনুশীলন করুন।

পরিক্ষার ভয় জয়ের কিছু উপায়

পরিক্ষা ছোট একটা শব্দ।অথচ এটা আমাদের অনেকের কাছে যুদ্ধ থেকে কম কিছু না।ছাএজিবনে শুরু থেকেই আমরা অনেক পরিক্ষার অংশগ্রহণ করেছি।আর এখনো করছি এবং ভবিষ্যৎ ও করতে হবে।তাই ভয় না পেয়ে পরিক্ষাকে কিভাবে আনন্দময় করা যায় এবং কি কি উপায় বের করা যায় সেগুলো খোজা দড়কার।

পরিক্ষার আগের মুহূর্তটা খুব বেশি গুরুতপূর্ণ।এসময় টাকে যে কাজে লাগাতে পারবে।তার জন্য পরিক্ষার হলে তার জন্য ততোই সহজ হয়ে যাবে।

বন্ধ করে রাখো ফোনের সব নোটিফিকেশন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের জিবনের সাথে অনেক ভাবেই জড়িত।কিন্তু মোবাইল হাতে নিয়ে ফেসবুক চালানো শুরু করলে সেখান থেকে বের হওয়াটা আমরা ভুলে যাই।তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোকে আমরা ডিএক্টিভ না করতে পারলেও পরিক্ষার কিছুদিন আগে থেকে নোটিফিকেশন গুলো বন্ধ করে দেয়া ভালো।যাতে করে তোমার পরিক্ষার ফলাফল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য খারাপ না হয়।

রুটিন ব্যাকআপ রাখা ভালো

পরিক্ষার রুটিন অতি প্রয়োজনীয় জিনিশ। পরিক্ষার রুটিন তোমার নিজের কাছে রাখে সাথে করে রুটিন এর কপি পরিবারের সবার কাছে রাখতে পারো।যাতে করে পরিক্ষা কোনো পরিবর্ত হলে, বিজ্ঞান পরিক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে গিয়ে সমাজ পরিক্ষা যেন দিতে না হয়।

পরিক্ষার আগে বানিয়ে নাও একটা চেকলিস্ট

পরিক্ষা দিতে যাবার আগের সময়টায় ডব কিছু গোলমাল হয়ে যায়।এ সময় টায় ভিতরে অনেক ভয় কাজ করে।পরিক্ষাতে নিয়ে যাবার প্রয়োজনীয় জিনিশ গুলো নিলেও মনে ভয় থেকে যায়।এই সমস্যাটা দূর করতে আমাদের আগেই একটা চেকলিস্ট বানিয়ে রাখা ভালো।যেখানে পরিক্ষায় নিয়ে যাবার সব সরঞ্জাম লিখা থাকবে।চেকলিস্ট দেখে একে একে টিকচিহ্ন দিয়ে সবকিছু ফাইলে রেখে দিলে আর ঝামেলায় পরতে হবে না।

মুখে হাসি রাখা

আমাদের সবার কাছে হাসি নামক একটা অস্ত্র আছে।পরিক্ষা হলে আমাদের সবার ভিতরে ভয় কাজ করে।সে সময়টায় হাসিখুশি থাকতে পারলে আমাদের ভয় টা দূর করা সহজ হয়ে যাবে।হাসলে আমাদের শরীরের ‘ডোপামিন ‘নামক একটা হরমন কাজ করে।যা আমাদের আনন্দের অনুভূতি জোগায়।তোমার হাসি তোমার কোনো মেধাবী বন্ধুর আত্মবিশ্বাসকে সহজে নিচে নামিয়ে দিবে। তাই হাসিটাকে কাজে লাগাও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here