দাঁড়ালেই হঠাৎ ‘মাথা চক্কর’

0

দাঁড়ালেই হঠাৎ ‘মাথা চক্কর’? শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়েছেন—হঠাৎ মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠল৷ এই সমস্যা অনেকেরই হয়, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের৷ ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও এটি বড় সমস্যা৷ পজিশন বা ভঙ্গি পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রক্তচাপ কমে গেলে এমনটি হয়৷ একে বলা হয় অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন৷

হঠাৎ ভঙ্গি পরিবর্তনের ফলে যদি কারও সিস্টোলিক রক্তচাপ আগের চেয়ে ২০ মিলিমিটার পারদ এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ১০ মিলিমিটার পারদ নেমে আসে তবেই এই অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন হয়েছে বলে ধরা হয়৷

কেমন লাগে?

হঠাৎ রক্তচাপ কমে গেলে কেমন লাগতে পারে? আপনার যদি এমন সমস্যা থাকে তবে মাথা ঘুরতে পারে, মাথা হালকা বোধ হতে পারে, চোখে ঝাপসা দেখতে পারেন, বমি হতে পারে, এমনকি কেউ কিছুক্ষণের জন্য জ্ঞানও হারাতে পারেন৷ তবে এই লক্ষণগুলো মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঘটে এবং নিজে থেকেই রক্তচাপ আবার স্বাভাবিক হয়ে এলে লক্ষণগুলো চলে যায়৷

কারণগুলো কী?

৬৫ বছর ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া অতটা কার্যকর থাকে না বলে তাদের এই ঝুঁকি বেশি৷ গর্ভবতী নারীদেরও এটা বেশি হয়৷ খুব গরমে অনেক ঘাম হলে, বমি বা পাতলা পায়খানা হলে শরীর যদি পানিশূন্য হয়ে যায়, তখন এই সমস্যা হতে পারে৷ ডায়াবেটিসের রোগীদের অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমের কার্যকারিতা কমে যায় বলে তারা এই সমস্যায় খুব ভোগেন৷ আবার ডায়াবেটিকদের রক্তে শর্করা কমে গেলেও এমন বোধ হতে পারে৷ হতে পারে হৃদ্যন্ত্রের ভাল্ভ সমস্যায় ও হৃদ্স্পন্দনে গোলমাল, এড্রিনাল গ্রন্থির অকার্যকারিতায় ও পারকিনসনস রোগে৷ বয়স্ক ব্যক্তিদের অনেক সময় ভারী খাবার-দাবারের পর এই সমস্যা হয়, কেননা তখন দেহের রক্ত সংবহন পেটের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গর দিকে ধাবিত হয় বেশি, আর হৃদ্পিণ্ডের দিকে কমে যায়৷ বেশ কিছু ওষুধের কারণেও অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন হতে পারে৷ অ্যালকোহল এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়৷

কী করবেন?

হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে হাড় ভাঙার ঝুঁকি যায় বেড়ে৷ বিশেষ করে রাতে টয়লেটে যাওয়ার সময় এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি৷ ঝুঁকি এড়াতে যা করবেন:

বিছানা থেকে নামার সময় হুট করে উঠে দাঁড়াবেন না৷ প্রথমে বিছানার পাশে শান্ত হয়ে কিছুক্ষণ বসুন, জোরে কয়েকবার শ্বাস নিন৷ তারপর ধীরে ধীরে দাঁড়ান৷ কিছুক্ষণ পর হাঁটতে শুরু করুন৷

শরীর পানিশূন্য হতে দেবেন না৷ যথেষ্ট পানি পান করুন৷ একসঙ্গে বেশি খাবার খাবেন না, সারা দিনে অল্প অল্প খান৷

মাথা ঘোরা সমস্যা দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে 

এমন কেউ নাই যিনি মাথা ঘোরা কবলে পড়েননি। কিন্তু অনেকেই নারাজ এটা আসলে অসুখ না। তার কারন এটা যেকোন সময়ে হুট করে আসে আবার হুট করে চলে যায়। মাথা ঘোরার নির্দিষ্ট কোন কারন নেই। এটা কোন রোগ না হলেও ডাক্তারগণ মাথা ঘোরার মাধ্যমে নানা ধরণের রোগ বোঝা সম্ভব বলে মনে করেন। রক্তচাপ কম থাকলে, ডিহাইড্রেশন হলে, মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে বা কোনও রকমের উত্তেজনা বা ভয় থাকলে মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে।

তবে দেরি কেন জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মাথা ঘোরা থেকে মুক্তির উপায়-

মাথা ঘোরা সমস্যায় পড়লে লেবু খান। কারন লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা অনেক বেশি এনার্জি দেয়। মাথা ঘোরার সমস্যাকে কমাতেও এর জুড়ি নেই।

মাথা ঘোরার আরেকটি ঔষদ মধু। মধুতে রয়েছে এমন উপাদান যা প্রচুর পরিমাণে এনার্জি বাড়িয়ে দেয়। মাথা ঘোরার সমস্যাকে কমাতে সাহায্য করে।

মাথা ঘোরা অনুভব করলে এক জায়গায় বসে জোরে জোরে শ্বাস নিন। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন পৌঁছলে অনেক উপকার পাবেন।

ডিহাইড্রেশনের ফলে মাথা ঘোরাতে পারে। বিশেষ করে গরমের সময়ে। ফলে তা থেকে বাঁচতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খান।

আদা মাথা ঘোরানোর সমস্যায় বিশেষ কাজ দেয়। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনকে সঠিক করে তুলে মাথা ঘোরা কমিয়ে দেয়।

প্রতিদিনের ডায়েটে যদি শাক-সবজি, ফল ও নানা ধরনের প্রোটিন রাখা যায় তাহলে মাথা ঘোরানোর সমস্যা হওয়ারই কথা নয়।

পালং শাক, বাদাম, খেজুর ইত্যাদি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার মাথাঘোরার সমস্যাকে দূর করে।

কানে পানি ঢুকলে কী করবেন?

0

কানে পানি ঢুকলে কী করবেন?- কানে পানি ঢুকে অনেকসময়েই ঘটতে পারে বিপত্তি। অনেকসময় কানে ঢোকা পানি কান ব্যথা, কানে পুঁজ জমা প্রভৃতি সমস্যার কারণ হয়ে থাকে।

চিকিৎসক শীর্ষক দত্ত এবিষয়ে বলেন, কানে পানি ঢুকলে খানিকটা চেষ্টা করে তা না বেরলে অনেকেই সেই শারীরিক অসুবিধা নিয়ে কাটিয়ে দেন দিনের পর দিন। শরীরের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কান থেকে সেই পানি বেরিয়ে যাবে ধরে নিয়েই অপেক্ষা করেন। কম পানি ঢুকলে যাও বা এই অভ্যাস মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু পরিমাণে বেশি পানি ঢুকলে তার জন্য কোনও চিকিৎসা বা চেষ্টা না থাকলে বধিরতাও আসতে পারে। 

তবে সব সময় কি কিছু হলেই চিকিৎসকের কাছে পৌঁছনো সম্ভব হয়? চিকিৎসকদের পরামর্শ, তেমন পরিস্থিতি এলে বা চিকিৎসকদের কাছে আসার আগে কিছুটা আরাম বোধের জন্য অবশ্য বাড়িতেই চেষ্টা করুন কানের পুরো পানি বার করে দিতে। কিন্তু কীভাবে তা সম্ভব ?

– কানের পানি বার করার সবচেয়ে সহজ উপায় স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে তা বার করে ফেলা। পানি ঢুকলে একটা লম্বা শ্বাস নিন। এ বার দু’আঙুলে নাকের ছিদ্র বন্ধ করে সেই অবস্থাতেই শ্বাস ত্যাগ করতে চেষ্টা করুন। এই পদ্ধতি বার কয়েক অবলম্বন করলেই কান থেকে পানি বেরিয়ে যাবে সহজে।

– বাড়িতেই চেষ্টা করুন আর এক নিরাপদ পদ্ধতি। যে কানে পানি ঢুকেছে সে দিকে মাথা কাত করুন। এ বার সেই দিকের হাতের তালু পানি  ঢোকা কানের উপরে রেখে জোরে চাপ দিন। চাপ দিয়ে সরিয়ে নিন হাত। এতে কিছুটা পানি বেরিয়ে আসবে। বার কয়েক এমন করতে করতেই কানের সিংহভাগ পানিই  বেরিয়ে আসে।

তবে এতেও সমাধান না হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছেযান। কোনও রকম বাজারচলতি কানের ড্রপ এই অবস্থায় দেবেন না। বরং চিকিৎসকেরপরামর্শ মেনে ওষুধ ও ড্রপ ব্যবহার করুন।

লিভার সিরোসিস প্রতিরোধে করণীয়

0

লিভার সিরোসিস প্রতিরোধে করণীয়- লিভার সিরোসিস মানুষের যকৃতের দীর্ঘস্থায়ী রোগের ফল যা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত থেকে সৃষ্টি হতে পারে এবং মারাত্মক পর্যায়ের সিরোসিসে যকৃৎ-এর কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে মানুষের মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। সহজ করে বলতে গেলে, লিভার সিরোসিস হচ্ছে লিভারের অসুখের সবচেয়ে শেষ অবস্থা। এটা একদিনে হয় না। লিভারের সমস্যা থেকে ধীরে ধীরে তা সিরোসিসের রূপ নেয়। এটা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। লিভার সিরোসিসের কোনো চিকিৎসা নেই। এ কারণে প্রতিরোধই পারে এ রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা কমাতে। লিভার সিরোসিস প্রতিরোধে যা করণীয়-

১. অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান লিভার সিরোসিসের অন্যতম কারণ।সাধারণত ১০ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি থাকে।  

২. লিভারে প্রদাহ সিরোসিসের আরেকটি কারণ। সাধারণত এ,বি, সি ভাইরাসের আক্রমণ করলে লিভার সিরেসিস হতে পারে।এগুলো রক্তদান বা গ্রহণের সময় শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এ কারণে রক্ত দেওয় বা নেওয়ার আগে রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। সেই সঙ্গে এসব ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা দিতে পারেন।

৩. মসলাদার, জাঙ্কফুড, প্রক্রিয়াজাত খাওয়া এড়িয়ে চলুন।   

৪. রাস্তাঘাটে সহজপ্রাপ্য খাবার না খাওয়াই ভাল। বরং দৈনিক খাদ্য তালিকায় বেশি করে শাকসবজি রাখুন এবং কম তেলযুক্ত খাবার খান।

৫. গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দিনে ২ থেকে ৩ বার কফি খান তাদের লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি অন্যান্যদের তুলনায় কম থাকে।

৬. কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন শরীরের টক্সিনকে বের করতে সাহায্য করে। তাই প্রতি দিন খাদ্য তালিকায় কিছুটা কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন রাখুন।

৭. শরীরের কোথাও ব্যথা বাড়লেই তা সহ্য না করে যখন তখন ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। ব্যথানাশক ওষুধে ব্যবহৃত নানা উপাদান লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে লিভারের ক্ষতি করে।

৮. পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

৯. কেউ হেপাটাইসিস বি বা সি তে আক্রান্ত হলে স্ক্রিনিং করুন। লিভার সিরোসিস প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলে তা অনেকক্ষেত্রে নিরাময় করা সম্ভব।

এলাচি আমাদের শরিরের কি উপকার করে

0

প্রতিদিন সকালে ১টি এলাচে যত উপকার

খাবার খেতে বসলে মুখে এলাচ চলে গেলে মুখের স্বাদটাই মাটি হয়ে যায় অনেকের। তবে এই এলাচের গুণাগুণ অনেক। আসুন জেনে নেই প্রতিদিন সকালে মাত্র একটি এলাচ কী কী উপকারে আসতে পারে।

১) এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক কার্যকরী। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিন।

২) দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়তা করে।

৩) রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এলাচের রক্ত পাতলা করার দারুণ গুনটি এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

৪) এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে।

৫) মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চুষতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

৬) নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৭) গবেষণায় দেখা যায় নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

৮) এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।

চিকেন পক্স থেকে বাঁচতে যে খাবারগুলো দরকারি

 

বসন্তে একটি ভয়াবহ রোগ চিকেন পক্স। এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। এই রোগটি থেকে বাঁচতে আমরা নিম্নোক্ত খাবারগুলো গ্রহণ করতে পারি।

আসুন জেনে নেই এমনি কিছু খাবার-

নিমপাতা

বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ে নিমপাতার জুড়ি নেই। গোসলের সময় হালকা গরম পানি নিমপাতা দিয়ে গোসল করে অসুক ভালো হয়ে যায়। ভ্যারিসেল্লা ভাইরাসেরর আক্রমণে সাধারণ বসন্ত রোগ হয়। নিমপাতা জীবাণুনাশক এ ভ্যারিসেল্লা ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

সজনে ফুল

সজনে দেখতে সবুজ রঙের লম্বা আকৃতির থাকে। আর ফুলগুলো হয় হলুদ রঙের । সজনের কচিপাতা, ফুল, ও সজনে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। সজনের তরকারি খেতে খুবই সুস্বাদু। খাবার সঙ্গে ভর্তা করে খেতে পারেন সজনে ফুল। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সজনে ফুল অত্যন্ত উপকারী। তাই প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন।

বাঁধাকপি

শীত শেষ হলেও বাজারে পাওয়া যায় বাঁধাকপি। থাইরয়েডের সমস্যা না থাকলে খেতে পারেন বাঁধাকপি। বাঁধাকপি রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল যা বায়ুবাহিত প্রতিরোধ করে।

গাজর 

বাজারে সারা বছরই গাজর পাওয়া যায়। গাজর বিটা ক্যারোটিন অক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে ও সংক্রমণের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

টকদই কি কাজ করে?

টকদই শরীরের টক্সিন দূর যা শরীর পরিষ্কার করে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে। দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান শরীরে সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

শুধু মাত্র লেবু দিয়েই দূর হবে কিডনি পাথর

কিডনি পাথর-একটি ফলের রসেই গলবে কিডনির পাথর। অপারেশন ছাড়াই গলবে কিডনির পাথর। শুধু একটি ফলের রসেই কিডনির পাথর দূর হবে! হ্যাঁ, ভুল দেখেননি। বিনা অপারেশনেই আধাকাপ লেবুর রসে কিডনির পাথর দূর হবে। যে ফলটি এখন পাওয়া যায় মাত্র ২ টাকায়।

প্রতি বছর পৃথিবীতে ক্যানসারের চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় কিডনির সমস্যায়। কিডনি সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ কিডনি স্টোন। খবর জি নিউজের। অতিরিক্ত মাংস খেলেই বিপদ।

কম পানি খেয়েছেন কী মরেছেন। কম সবজি খেলেও সমস্যা। বেশি নুন খাওয়া ক্ষতিকর। বংশগত কারণেও কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা থাকে।

মাঝে মাঝে ডিহাইড্রেশন হলেও কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। ইউরিন ইনফেকশন হলেও কিডনিতে পাথর জমতে পারে। মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহৃত টপিরামেট জাতীয় ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

ওজন বাড়লেও মারাত্মক বিপদ। কিডনির ভেতরের এই পাথরগুলো মূত্রনালির মাধ্যমে মূত্রথলিতে যাওয়ার চেষ্টা করে। পাথর যখন সংকীর্ণ নালির মধ্যে দিয়ে যায়, তখন প্রচণ্ড ব্যথা হয়। কখনও কখনও নালিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় অপারেশন ছাড়া পথ থাকে না।

কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব হাউস্টনের গবেষকরা বলছেন, লেবুর রসে হতে পারে মুশকিল আসান। লেবুর রসে হাইড্রক্সিসিট্রেট থাকে। এটা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই প্রধানত কিডনিতে পাথর হয়।

গবেষকরা বলছেন, দিনে দুবার ৪ আউন্স পাতিলেবুর রস খেতে হবে। ৩২ আউন্স টাটকা লেমোনেডও খাওয়া যেতে পারে। ২ আউন্স লেবুর রসের সঙ্গে ৬ আউন্স পানি মিশিয়ে নিতে হবে। সকালে ব্রেকফাস্টের আগে এবং রাতে শোয়ার আগে লেবুর রস খেয়ে নিতে হবে।

শুধু কিডনির স্টোনই নয়, লেবুর রসে আরও অনেক উপকারিতা আছে।

  • শক্তি বাড়ায় লেবুর রস।
  • লিভার পরিষ্কার রাখে।
  • ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে লেবুর রস।
  • ত্বক পরিষ্কার রাখে।
  • ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • মূত্রনালির সংক্রমণ দূর করে।
  • চোখ ভালো রাখে।
  • দাঁতব্যথা কমায়।
  • গর্ভবতী নারী ও গর্ভের শিশুর জন্য ভীষণ উপকারি।
  • স্তন ক্যানসার সারাতে লেবুর রসের জুড়ি মেলা দিচা

পড়াশুনার পাশাপাশি যেভাবে শরীর ভালো রাখতে হয়। হেলথ টিপস

0

বিশ্বব্যাপী প্রতি পাঁচজনে একজন ডায়াবেটিক ব্যক্তি ডায়াবেটিসজনিত পায়ের বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত। যেমন: পায়ের বোধশক্তি, আর্দ্রতা এবং রক্তনালির প্রবাহ হ্রাস, সংক্রমণ বা প্রদাহ, ফোসকা, ফোড়া, সাধারণ এবং গভীর ঘা, গ্যাংগ্রিন বা পচন, চামড়ার শক্ত গুটি, আঙুলের এবং পায়ের আকার ও নখের বিকৃতি ইত্যাদি। নিয়মিত ও সঠিক যত্নের মাধ্যমে এবং রক্তের শর্করা সুনিয়ন্ত্রণে রেখে সহজেই এই ঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব। 

প্রতিদিনের পরিচ্ছন্নতা

১০ মিনিট কুসুম গরম পানি এবং নরম সাবান দিয়ে পা ধুয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে না ঘষে আলতো করে মুছে শুষ্ক করে নিন। বিশেষ করে আঙুলের ফাঁক শুষ্ক রাখা খুব জরুরি। 

নিয়মিত পর্যবেক্ষণ

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়, বিশেষ করে বাড়ি ফিরে জুতা খোলার পর নখ থেকে গোড়ালি, পায়ের পাতা, আঙুলের ফাঁক পর্যন্ত লক্ষ্য করুন পায়ের শুষ্কতা, লালচেভাব, আঁচড়, কাটাছেঁড়া, ফোসকা, ফোলা, তাপমাত্রার পরিবর্তন, ব্যথা ইত্যাদি আছে কি না। 

  • পায়ের স্নায়ুরোগ (৮০%)
  • পায়ের রক্তনালির রোগ (২০%)
  • অনিয়ন্ত্রিত এবং উচ্চ রক্ত শর্করা।

তরমুজ খেলে শরীরের কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন?

তরমুজ খুব উপকারী ফল। আমরা জানি, তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্যও খুবই উপকারী। কথায় আছে অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না। তেমনি তরমুজের নানা স্বাস্থ্যকর রুপের আড়ালে রয়েছে ক্ষতিকর দিক। তবে তরমুজে ক্ষতির চেয়ে উপকারই বেশি। তরমুজে রয়েছে ৯২ শতাংশ জলীয় উপাদান যা শরীরের প্রয়োজনীয় পানির চাহিদা পূরণ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ তরমুজে রয়েছে ভিটামিন এ, বি৬, সি, এবং খনিজ উপাদান পটাসিয়াম যা রোগ প্রতিরোধ করে, ওজন কমাতেও সাহায্য করে। তরমুজের উপকার আমরা অনেক শুনেছি। আজকে তাই ক্ষতির কথা জানানোর চেষ্টা। দেখে নিন বেশি তরমুজ খেলে কি ক্ষতি হতে পারেন।

তরমুজে রয়েছে ফাইবার। তাই অতিরিক্ত তরমুজ খেলে ডায়রিয়া-সহ পেটের নানা রোগ দেখা দিতে পারে। এতে রয়েছে সরবিটল (সুগার কমপাউন্ড) যার ফলে অম্বল, বদহজমের মতো সমস্যা হতে পারে।

লাইকোপিন নামক রাসায়নিকের কারণে তরমুজের রং উজ্জ্বল ও গাঢ় হয়। লাইকোপিন এক প্রকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা অধিক মাত্রায় শরীরে গেলে পেটের নানা সমস্যা হতে পারে। হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তরমুজ খুবই স্বাস্থ্যকর ফল। কিন্তু এতে শর্করার পরিমাণ খুব বেশি। তাই প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে তরমুজ খেলে ডায়বিটিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

নিয়মিত মদ্যপান করেন যাঁরা তাদের জন্য তরমুজ একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ, তরমুজের রাসায়নিক উপাদান লাইকোপিন অ্যালকোহলের সঙ্গে মিশে লিভারের প্রভূত ক্ষতি করে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তরমুজ খেলে শরীরে জলীয় উপাদান অনেক বেড়ে যায়। ‘ওভার-হাইড্রেশন’-এর ফলে কিডনির নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরও অনেক দুর্বল হয়ে যায়।

তরমুজে থাকে প্রচুর পরিমাণ পটাসিয়াম। এই খনিজ উপাদান আমাদের হার্ট ভাল রাখে, পেশী শক্তি বাড়ায়, হাড়ের গঠন মজবুত করে। কিন্তু, অতিরিক্ত পটাসিয়াম শরীরে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে, পালস রেট কমে যায়।

নিউট্রিশনিস্ট রীতেশ তিওয়ারি বলেছেন, প্রতি ১০০ গ্রাম তরমুজে ক্যালোরির পরিমাণ ৩০ ও শর্করার পরিমাণ প্রায় ৬ গ্রাম। একদিনে ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত তরমুজ হজম করা সম্ভব, কারণ এতে শরীরে ঢোকে ১৫০ ক্যালোরি। কিন্তু, এর থেকে বেশি তরমুজ খেলে সেটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়।

খেজুর

প্রতিদিন খান তিনটি খেজুর খেজুর বাংলাদেশের ফল না হলেও প্রায় সারাবছরই এটি এ দেশের বাজারে পাওয়া যায়। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার বেশ কিছু উপকার রয়েছে। চলুন দেখে আসি খেজুরের উপকারগুলো।

আপনি যদি প্রতিদিন তিনটি করে খেজুর এক সপ্তাহ খান, তাহলে সাত দিনে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। বাড়বে খাবারের রুচিও। এছাড়াও বাড়াবে হজমক্ষমতা।

খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের এক গবেষণায় জানা যায়, নিয়মিত খেজুর খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। খেজুর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো কোলন ক্যানসারের জন্য দায়ী কোষগুলোকে মেরে ফেলে।

বই পড়ার অভ্যাস যে ভাবে করবো

0

যখন আমি কলেজে পরতাম।আমার কখনো পাঠ্যবই এর বাহিরে অন্য কোনো বই পড়ার অভ্যাস ছিল না।
অভ্যাস টা শুরু হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় উঠার পর থেকে।

প্রতিদিন যখন বিশ্ববিদ্যালয় যেতাম।তখন বিশ্ববিদ্যালয় এর সামনে এক চাচা বই বিক্রি করতো।প্রতিদিন বাসে উঠার সময় বই গুলো দেখে যেতাম।একদিক শখ করে একটা বই কিনে নিয়ে আসলাম।পুরোটা বই পরলাম।পরার পর যা অনুভূতি হলো সেটা হল বই পড়ার প্রতি আগ্রহ জমে গেল।এমন করে।একটা করে বই কিনতাম।সেটা পড়া শেষ করে আবার একটা বই কিনে নেয়ে আসতাম।এমন করতে করতে এখন আমার বাসায় একটি লাইব্রেরি হয়ে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার সময় দুই থেকে তিন ঘন্টা জেমে বসে থাকতে হতো।বিরক্ত হয়ে যেতাম বসে থাকতে থাকতে।তখন ভাবলাম চাচার থেকে বই কিনি।সময় টাও পার হবে। বই ও পড়া হবে।আর আমি বইগুলো সেই সময়টা তে পরতাম।এবং ভালোই লাগছিলো।

এমন করে করে অনেক বই কিনলাম আর পড়লাম।চাচার কাছে আমি ছিলাম একজন ক্রেতাআর চাচা ছিল আমার কাছে এমন একজন মানুষ যিনি আমাকে বই পড়া শিখিয়েছেন।চাচা যদি ফুটপাতে বই না বিক্রি করতেন।তাহলে হয়তো আমার বই পড়ার অভ্যাস কখনোই হতো না।

আমার জিবনের এর একটা গল্প বলি

আমি যখন ষষ্ট শ্রেণীতে পরি। তখন স্কুলে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে বই দেয়া হতো।আমার খুব ইচ্ছে হলো ওখান থেকে বই নিয়ে পড়ার।তাই ওখানে রেজিস্ট্রেশন করি।আমার অনেক বন্ধুরাও করলো।আর আমি প্রতি সপ্তাহে একটি করে গল্পের বই নিয়ে পরতাম।এর পরের সপ্তাহে ঐ বইটি দিয়ে অন্য আর একটি বই নিতামএমন করে অনেক গুলো বই পড়া শেষ করলাম।এবং বই গুলো পড়া শেষ করার পর একটা পরীক্ষা নেয়া হলো।পরীক্ষাটা এজন্য নেয়া হয়েছিল। যে আমরা বই গুলো পরে কি কি শিখলাম।পরিক্ষাতে প্রথম হলাম। অনেক খুশি হয়েছিলাম সে দিন।এমন করে আসতে বই পরার অভ্যাস গড়ে তুললাম।

আমরা যখন অবসর থাকি।তখন যদি একটু একটু করে বই পড়ার অভ্যাসটা শুরু করি। তাহলে আমাদের বই পড়ার আগ্রহ ও অভ্যাস দুটাই হবে।বই পড়লে আমার জ্ঞান বারে এবং এর সাথে সাথে আমদের বিভিন্ন তথ্য জানা হয়।

যখন অনেক বেশি আলসেমি লাগে

0

যখন কোনো কাজ করা সহজ।তখন আমরা সবাই সেটা করতে পারি।কিন্তু আসল প্রশ্ন আসে যখন কাজটা করা কঠিন।তখন কয়জন কাজটা টিকে থাকতে পারে।এ জিনিশটা অনেক জায়গা হয়।যখন আপনি শরীর চর্চা।অনেক সময় বলা হয়। মনে আপনি এিশ বার পুসআপ দিতে পারেন। এর একটু চিল্লা চিল্লি করে ট্রেইনার আপনাকে আরো দুই পাঁচ বার পুস দেয়াবে।আপনি পারছেন না।তার পরও জেদ করে দিচ্ছেন।এটাই আসলে জেদ। জিনিশটা হচ্ছে এই যে জেদ।যাদের মধ্যে এ জেদটা আছে তারা অনেক দূর যেতে পারে।অনেকে হয়তো বা লিখতে চাচ্ছে না।খুব বিরক্ত হচ্ছে। তবুও জোড় করে বসা।বা কেও আঁকতে চাচ্ছে না।তবুও জোড় করে আঁকা আঁকি করা।যদিও আমার আঁকতে ইচ্ছে করছে না আমার যথেষ্ট ডিসিপ্লিন আছে। যে আমি কাজ টা এ সময়ে করি।

এবং এটা নিয়ে একটা উক্তি ছিল। আপনি আপনার জিবনে খুব একটা দূরে যেটে পারবেন না যদি আপনি তখনি কেবল কাজ করেন যখন আপনার কাজ করতে ইচ্ছা করে।কারণ আসল কাজ গুলা তখন হয়।যখন আপনি কাজ করতে ইচ্ছা করে না।এবং এটা অনেক মানুষ জানে না।এ জিনিশ টা আমি নিজের মধ্যে ডেভোলাপ করার চেষ্টা করেছি। যখন করতে ইচ্ছা করছে।যখন আমার হাটতে ইচ্ছা করছে না।আমি তখন বের হই যেন আমার রুটিনটা থাকে।আমি খেয়াল করেছি যখন বের হতাম আসলেই তখন রাস্তার মধ্যে একটা পাতিল খুঁজে পেলাম বা সুন্দর একটা ছবি খুজে পেলাম।প্রতিদিন ই ভালো কিছু একটা হয়।যদি আমরা জোর করে কাজটা করি তখন একটা ডিসিপ্লিন চলে আসে।মনের যে ইচ্ছা সে কাজটা করেন।কিন্তু অনেক সময় মনের বিরুদ্ধেও কাজটা করেন।কারণ একটা কথা আছে।”To do what you love doing you must do think is a don’t love doing.”যে কাজটা আমরা ইচ্ছার বিরুদ্ধে করবো। সে কাজটা করলে আমরা অনেক কাজ করতে পারবো।

দেশ বিদেশ পার্ট- ২ । সাধারণ জ্ঞান

0

মিশর

রাজধানী – কায়রো
মুদ্রা – ইজিপশিয়ান পাউন্ড
প্রধানমন্ত্রী – ইবরাহিম মাহলাব
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – গামাল আব্দেল নাসের, আনোয়ার সাদাত
ঐতিহাসিক তারিখ – ২৯ অক্টোবর -৭ নভেম্বর ১৯৫৭ সুয়েজ খাল সংকট।
১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি

শ্রীলংকা

রাজধানী – কলম্বো
মুদ্রা – রুপি
প্রধানমন্ত্রী – রনিল বিক্রমসিংহে
বিখ্যাত সনএাসী গোষ্ঠী – LTTE
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
ঐতিহাসিক তারিখ – স্বাধীনতা ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮

জাপান

রাজধানী – টোকিও
মুদ্রা – ইয়েন
প্রধানমন্ত্রী – শিনজো আবেদ
গোয়েন্দা বাহিনী – CSICE
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – সম্রাট হিরোহিত
ঐতিহাসিক তারিখ – ৬ আগস্ট ১৯৪৫
৯ আগস্ট ১৯৪৫

চীন

রাজধানী – বেইজিং
মুদ্রা – ইউয়াম
প্রধানমন্ত্রী – শি জিনপিং
গোয়েন্দা বাহিনী – MSS
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – মাও সে তুং
ঐতিহাসিক তারিখ – ১৯৭১।Republic of China Vs peoples Republic of China
সাম্প্রতিক ঘটনা – চীনের অর্থনৈতিক উথান

ব্রাজিল

রাজধানী – ব্রাসিলিয়া
মুদ্রা – ব্রাসিলিয়ান রিয়াল
প্রধানমন্ত্রী – জেইর বলসোনারো
গোয়েন্দা বাহিনী – ABIN
ঐতিহাসিক তারিখ – স্বাধীনতাঃ ৭ সেপ্টেম্বর ১৮২২
সাম্প্রতিক ঘটনা -আমাজনে আগুন

উওর কোরিয়া

রাজধানী – পিয়ং ইয়াং
মুদ্রা – নর্থ কোরিয়ান ওন
নেতা – কিম জং-উন
গোয়েন্দা বাহিনী – NIS
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – কিম জং ইল

আফগানিস্তান

রাজধানী – কাবুল
মুদ্রা – আফগান আফগানি
রাষ্ট্রপতি – আশরাফ ঘানি
গোয়েন্দা বাহিনী -NDS
ঐতিহাসিক তারিখ – ২৪ ডিসেম্বর ১৯৭৯-১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯।আফগান -সোভিয়েত যুদ্ধ।
১৯৯৬-২০০১। তালিবান শাসন।

সিরিয়া

রাজধানী – দামাস্কাস
মুদ্রা – সিরিয়ান পাউন্ড
রাষ্ট্রপতি – বাসার আল-আসাদ
সংবাদ সংস্থা – সানা
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – বাসার আল-আসাদ
ঐতিহাসিক তারিখ – ১৫ মার্চ ২০১১। গৃহ যুদ্ধের সূচনা।

রাশিয়া

রাজধানী -মস্কো
মুদ্রা – রুবল
রাষ্ট্রপতি – ভ্লাদিমির পুতিন
গোয়েন্দা বাহিনী – KGB
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – ভ্লাদিমির লেনিন,মিখাইল গর্ভাচেভ
ঐতিহাসিক তারিখ – মার্চ ৮ – নভেম্বর ১৭ ১৯১৭
২৫ ডিসেম্বর ১৯৯১ ;সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন।

নিউজিল্যান্ড

রাজধানী – ওয়েলিংটন
মুদ্রা – নিউজিল্যান্ড ডলার
রানী – কুইন এলিজাবেথ
প্রধানমন্ত্রী – জেসিকা আর্ডেন
ঐতিহাসিক ঘটনা – ১৮৯৩ প্রথম নারীদের ভোট
সাম্প্রতিক ঘটনা – ১৫ মার্চ – ক্রাইস্টচার্চ শুটিং

দেশ বিদেশ পার্ট- ১ । সাধারণ জ্ঞান

0

ভারত

রাজধানী – নয়া দিল্লী
মুদ্রা – রুপি
প্রধানমন্ত্রী – নরেন্দ্র মোদী
গোয়েন্দা বাহিনী – RAW
মোট প্রদেশ – ২৯ টি
ঐতিহাসিক তারিখ – স্বাধীনতা ঃ ১৫ আগস্ট ১৯৪৭
সাম্প্রতিক ঘটনা – সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল

পাকিস্তান

রাজধানী – ইসলামাবাদ
মুদ্রা – রুপি
প্রধানমন্ত্রী – ইমরান খান
গোয়েন্দা বাহিনী – ISI
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান,ইস্কান্দার মির্জা
ঐতিহাসিক তারিখ – ১৪ আগস্ট ১৯৪৭,
২৭ অক্টোবর ১৯৫৮। আইয়ুব খানের ক্ষমতা দখল

ইসরায়েল

রাজধানী – জেরুজালেম
মুদ্রা – শেকেল
প্রধানমন্ত্রী – বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু
গোয়েন্দা বাহিনী – মোসাদ
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – ডেভিড বেন গুরিয়ন, মোনাচেম বেগিন
ঐতিহাসিক তারিখ – ২নভেম্বর ১৯১৭।বেলফোর ঘোষণা
১৪ মে ১৯৪৮।স্বাধীনতা
১৫ মে ১৯৪৮। আরব ইসরায়ের যুদ্ধ
১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৫৮।ক্যাম্প ডেভিট চুক্তি

ইরান

রাজধানী – তেহরান
মুদ্রা – রিয়াল
প্রধানমন্ত্রী – হাসান রৌহানী
গোয়েন্দা বাহিনী – MOIS
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – আয়তোল্লাহ খোমানী, রেজা শাহ পাহলাভি
ঐতিহাসিক তারিখ – ৭ জানুয়ারি ১৯৭৮-১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ ইসলামিক বিপ্লব
৪ নভেম্বর ১৯৭৯-২০ জানুয়ারি ১৯৮১ ইরানের জিম্মি সংকট

যুক্তরাষ্ট্র

রাজধানী -ওয়াশিংটন, ডি.সি
মুদ্রা – ডলার
প্রধানমন্ত্রী – ডোনান্ড ট্রাম্প
গোয়েন্দা বাহিনী – CIA
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – জর্জ ওয়াশিংটন, টমাস জেফারসন, আব্রাহাম লিংকন, ফ্রাংকলিন রুজভেল্ট
ঐতিহাসিক তারিখ – স্বাধীনতা ঃ৪ জুলাই ১৭৭৬
পার্ল হারবার ঃ ৭ডিসেম্বর ১৯৪১
সাম্প্রতিক ঘটনা – মে ১। জর্জিয়া অ্যালাব্যায়াম হার্টবিট বিল পাশ।
২২ মার্চ। মুলার রির্পোট এর সমাপ্তি

যুক্তরাজ্য

রাজধানী – লন্ডন
মুদ্রা – পাউন্ড
প্রধানমন্ত্রী – বোরিস জনসন
গোয়েন্দা বাহিনী – MI5
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – উইন্সটন চার্চিল
ঐতিহাসিক তারিখ – ১৬ ডিসেম্বর ১৭৭৩ বোস্টন টি পার্টি। ১৮৫৭ সিপাহি বিপ্লব
সাম্প্রতিক ঘটনা – ১১এপ্রিল জুলিয়ান এসাঞ্জ গ্রেফতার। ২ মে নির্বাচন।

ফিলিস্তিন

রাজধানী – পূর্ব জেরুজালেম, রুমাল্লা
মুদ্রা – শেকেল
প্রধানমন্ত্রী – মাহমুদ আব্বাস
ঐতিহাসিক ব্যক্তি – ইয়াসিন আরাফাত
ঐতিহাসিক তারিখ – স্বাধীনতাঃ ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮

বাংলাদেশের ইতিহাস পার্ট – ৩

0

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

 

প্রথম জাতীয় পতাকা উওোলন

২মার্চ ১৯৭১। উওোলন করেন আসম আব্দুর রব।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পতাকা ডিজাইনার- শিব নারায়ণ দাস

স্বাধীনতা ইশতেহার পাঠ 

৩মার্চ ১৯৭১। ইশতেহার পাঠ করেন শাহজাহান সিরাজ। 

বঙ্গবন্ধু ভাষণ 

৭মার্চ ১৯৭১। বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন রেসকোর্স ময়দানে। শেখ মুজিবর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন। তোফায়েল আহমেদ। 

অপারেশন সার্চলাইট

২৫মার্চ ১৯৭১। প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে পুলিশ ও ইপিআর। 

মুজিবনগর সরকার গঠন

১০এপ্রিল ১৯৭১। মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর)। মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১। শপথ পাঠ করান অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী। এ সরকারের রাস্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। অস্থায়ী রাস্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ স্বরাষ্ট্র, এাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন  এ এইচ এম কামরুজ্জামান। অর্থমন্ত্রী ছিলেন এম মরসুর আলী।

অপারেশন জ্যাকপট 

১৫আগস্ট ১৯৭১। পাকিস্তান নৌবাহিনীকে বিপর্যস্ত করে দিতে সুবিশাল ও সফল একটি অপারেশন। কনর্সাট ফর বাংলাদেশ। ১ আগস্ট ১৯৭১। পণ্ডিত রবি শংকর,জর্জ হ্যারিসন,নিউ ইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি 

প্রথম দেশ ঃ  ভুটান

প্রথম আরব দেশ ঃ ইরাক

প্রথম ইউরোপীয় দেশ পূর্ব জার্মান 

প্রথম আফ্রিকান দেশ ঃ সেনেগাল। 

চুড়ান্ত বিজয়

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১। মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধি ঃ একে খন্দকার। পাকিস্তানের প্রতিনিধি ঃ জেনারেল নিয়াজী । ভারতের প্রতিনিধি ঃ জগজিৎ সিং আরোরা।

পদক

মোট খেতাবপ্রাপ্ত – ৬৭৭জন। একমাত্র আদিবাসী বীর বিক্রম -ইউ কে চিং মারমা। বিশেষ খেতাবপ্রাপ্ত- ডাব্লিউ এস ওয়ারল্যান্ড। সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত- শহীদুল ইসলাম বীর প্রতীক। নারী খেতাবপ্রাপ্ত- তারামন বিবি ও সেতারা বেগম। একাধিক খেতাবপ্রাপ্ত-আফতাব আলী ও আব্দুল ওয়াহেদ চৌধুরী

POPULAR POSTS

Results

Our Social

0FansLike